'ইগনোর-সুপারপাওয়ার' অনেক হতাশা থেকে বাচাতে পারে

পিতার উপর আমার দুইটা ব্যাপারেই বেশি আফসোসঃ

১) বিল গেটস হয়নি কেন ! (kidding)

২) He is the breakout graduate of this family. বংশের প্রথম ডিগ্রিধারী। He had the chance to select the spelling of family name in formal documents. ‘SHOME’ spelling is his selection. I’m not sure why dad didn’t choose SHOM. অবশ্য আমার ক্ষোভটা আরও উপরের লেভেলে যাওয়া উচিত। বংশের একজন এক রাজার নায়েব ছিল। শুনেছি রাজার টাইটেল ছিল সোমচৌধুরী। নায়েব সাহেব সোম টাইটেলটা নিয়ে নাকি চৌধুরী ছেড়ে দিয়েছেন।

তো যা হোক, অগত্যা যা হওয়ার কথা। ক্লাস ওয়ান-টু এ থাকতেই আমি বুঝে গেছি কপালে কি আছে। সেই বয়স থেকেই “সোমি / সোম মঙ্গল” ইত্যাদি ডেকে টিচার ক্লাসমেটরা irritate করার চেষ্টা করত। আমার মনে পরে কিন্ডারগার্টেনে থাকতে এটা আমাকে বদার করত। কিন্তু কোনও এক অদ্ভুত কারণে বেশ শুরুতে (ক্লাস ফোর/ফাইভে) থাকতেই আমি বুঝে গেছি এগুলা হ্যান্ডেল করতে হবে কি করে। বুলিং মানুষের রক্তে মিশে আছে। আরও স্কুলটা ছিল জিলা স্কুল। চাইলেও সামলানো কঠিন। তো যদি এফেক্ট পরতেই না দেই যে আমাকে অপ্রস্তুত করার চেষ্টা করছে সে আশাহত হবে এবং থেমে যাবে। এই মন্ত্রেই কাজ হল। কেউ ব্যঙ্গ করার চেষ্টা করলে I laughed with them. আমি সকল নামেই সাড়া দিতে শুরু করলাম। কোনোরকম রিঅ্যাকশান ছাড়াই। সব লেভেল এ। সেই বয়স থেকে যতদিন না থামে ততদিন। সুতরাং এইসব জিনিস আমাকে কখনও অপ্রস্তুত করতে পারেনা।

পুরো ফেসবুকের এখন এরকম দশা। চারিদিকে শুধু বুলিং, এবিউজ, ট্রলিং। ট্রায়িং টু মেক ইউ ডাউন। যেকোনো বিষয় নিয়ে খোঁচা। খুটে খুটে বের করে পিন দেওয়া। কমন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যার গায়ে লাগবে/লাগছে তার তো পাগল দশা। যেসব মানুষকে রাস্তায় দেখলে পাশ কাটিয়ে চলে যাই তারাও এখন আমাকে ফেসবুকে এপ্রোচ করতে পারে। সুতরাং কত আফসোস করে কিংবা দুঃখ পেয়ে পারা যাবে। শেষ তো নেই। এজন্য সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে “ignore” । ইগনোর করা শিখতে হবে। বাচ্চাদেরকে শিখাতে হবে। উদ্ভট কিছু বললে laugh with them and move on. দিন খারাপ করার ক্ষমতা অন্যের হাতে দিলে depression এ যাওয়া অনিবার্য। তাই কন্ট্রোল নিজের হাতে রাখতে হবে। কিছু এসে যায়না কে কি নিয়ে মন্তব্য করল কিংবা কি ভাবল। অন্যকে খোঁচাতে দিলে সে আরও দিতেই থাকবে। জগতটাই যে সেদিকে চলে যাচ্ছে।

অতনু সোম,
সিএসই,
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।